পরীক্ষা পদ্ধতি

বর্তমান নতুন শিক্ষা কারিকুলাম ২০২৩ অনুযায়ী বছরে ২ টি পরীক্ষা পদ্ধতি বাদ দিয়ে ০২ টি মূল্যায়ন পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের ফলাফল তৈরি করা হচ্ছে। এই মূল্যায়ন পদ্ধতিকে ষাণ্মাসিক ও বাৎসরিক ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এছাড়া ষাণ্মাসিক মূল্যায়ন আবার শিখনকালীন/ধারাবাহিক মূল্যায়ন এবং চুড়ান্ত মূল্যায়নের সমন্বয়ে করা হয়। মূল্যায়ন নির্দেশনা আবার ২ প্রকার যথাঃ ১.পারদর্শিতার সূচক (PI)২.আচরণিক সূচক(BI)। মূল্যায়নের মাত্রা ৩টি যথাক্রমেঃ চতুর্ভূজ ,বৃত্ত এবং ত্রিভুজ। ষাণ্মাসিক ও বাৎসরিক মূল্যায়নের শেষে একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট শীট প্রদান করা হয়।